সংখ্যালঘু নির্যাতন

সংখ্যালঘু নির্যাতন: আওয়ামীলীগের প্রবঞ্চনা ও ফায়দা হাসিলের এক দশক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাধীনতার পর থেকেই সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন করা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো সবসময়ই যে যার পক্ষে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেছে।  কখনো দেখা গেছে, সংখ্যালঘুদের উপর হামলা নিয়ে বিরোধী দল সরকারি দলকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে।  আবার কখনো দেখা গেছে একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারি দল বিরোধী দলের উপর মামলা এবং গ্রেফতার চালাচ্ছে।  কিন্তু মাঝখান থেকে মার খেয়ে যাচ্ছে সংখ্যালঘুরা; যার কোনো ঘটনারই এখন পর্যন্ত বিচার হয়নি।

যেহেতু বিচারকার্য সম্পন্ন হয়নি, তাই সংখ্যালঘুদের উপর কারা হামলা করছে তা সুস্পষ্ট করে বলাটা বেশ কঠিন।  তবে সংখ্যালঘুদের উপর ঘটিত হামলাগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করলেই বোঝা যাবে, এর পিছনে কারা রয়েছে।  আর পর্যালোচনার শুরুতে জেনে নেই, স্বাধীনতার স্বপক্ষের দাবিদার এবং ধর্মনিরপেক্ষ তত্ত্বে বিশ্বাসী আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনাধীন গত ১০ বছরে সংখ্যালঘুদের উপর কিরূপ হামলা এবং নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’-এর রিপোর্টনুসারে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গত ১০ বছরে সংখ্যালঘুদের উপর মোট হামলার ঘটনা ঘটেছে, ১৩৭৩ টি।  এসব হামলার ঘটনায় আহত হয়েছে ৫০৪ জন, বাড়ি-ঘর এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে ৪২০ টি, ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে ১০ টি, অপহরণের স্বীকার হয়েছে ১৩৫ জন এবং ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে ১০৪ জন।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র আসক এর মতে সংখ্যালঘুদের হামলার সময়গুলোর মধ্যে ২০১৬ টি ছিল সবচেয়ে উদ্বেগজনক।  ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সংখ্যালঘু হিন্দু ধর্মালম্বীদের ১৯২ টি বাসস্থান, ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ১৯৭ টি প্রতিমা, পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, ৫টি জমি ও বসতবাড়ি দখলের ঘটনা ঘটেছে।

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদের দাবিনুসারে দেশে নিয়মিত বিরতিতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার দরুন, প্রতি বছর গড়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৬১২ জন সংখ্যালঘু দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।  উক্ত হিসাবনুসারে বিগত ১০ বছরে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৬০ জন সংখ্যালঘু দেশে ত্যাগ করেছে বলে দাবি করেছে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদ।

সংখ্যালঘুদের উপর বিগদ ১০ বছরের হামলার ঘটনা পর্যবেক্ষণ এবং অনুসন্ধান করে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহি পরিচালক সুলতানা কামাল বলেছেন, ‘দূর্বল ও সংখ্যালঘুদের জমি দখল ও নির্যাতনে সরকার দলীয় মন্ত্রী-এমপিরা জড়িত।’

উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখল হামলার বিষয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের অনুসন্ধানে স্থানীয় সাংসদ এবং আওয়ামীলীগ নেতা দবিরুল ইসলামের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়।  একইসাথে উক্ত হামলার ঘটনায় উক্ত আওয়ামীলীগ নেতার ছেলে মাজহারুল ইসলাম এবং স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততারও প্রমাণ পাওয়া যায়।  কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, হামলার বিষয়ে সকল তথ্য-প্রমাণ থাকা স্বত্ত্বেও পুলিশ কোনো মামলা গ্রহণ করেনি।

স্থানীয় সাংসদ এবং আওয়ামীলীগ নেতা দবিরুল ইসলাম তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুলিশকে মামলা গ্রহণ থেকে বিরত রাখে বলে উক্ত অনুসন্ধানে পাওয়া যায়।  এছাড়াও পিরোজপুরের সাংসদ এবং আওয়ামীলীগ নেতা এ কে এম এ আউয়াল এবং দিনাজপুরের সাংসদ ও আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তফিজুর রহমান ফিজার একইভাবে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালিয়ে জমি ভোগ-দখল করছে বলে দাবি করে, বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন কমিটি।

বিগত ১০ বছরে সংখ্যালঘুদের উপর এহেন বেশ কয়েকটি বড় ধরণের হামলার ঘটনা ঘটেছে।  যা শুধু দেশেই নয় বহিঃবিশ্বেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছি।  উক্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ২০১২ সালে কক্সবাজারে রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা।  উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে, রামুতে ১২ টি বৌদ্ধ বিহার, ৩০ টি বসতঘর এবং উঁখিয়া ও টেকনাফের ৭টি বৌদ্ধ বিহার ও ১১টি বসতঘরে হামলা ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে।

রামুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদি হয়ে ৩৭৫ জন নামসহ মোট ১৫ হাজার ১৮২ জনকে অভিযুক্ত করে ১৯ টি মামলা দায়ের করে।  সাময়িকভাবে পুলিশের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেলেও সময় গড়ানোর সাথে সাথে পুলিশের ভূমিকাও নিক্রিয় হয়ে যায় বলে অভিযোগ করে, স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা।  এছাড়াও তারা দাবি করেন, পুলিশ ইচ্ছে করেই মূল হোতাদের আড়াল করছে।  রামুর হামলার ঘটনায় সরকার দলীয় নেতা কর্মীরা জড়িত রয়েছে বলেই, পুলিশ নীরব রয়েছে বলে দাবি করে স্থানীয় বৌদ্ধ নেতারা।

২০১৩ সালের পাবনার সাঁথিয়ায় বনগ্রাম বাজারে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালানো হয়।  এতে প্রায় শতাধিক বসতবাড়িতে হামলা এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়।  উক্ত হামলার ঘটনায় তৎকালীণ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর ভাই এবং স্থানীয় আওয়ালীগ নেতা তসলিম উদ্দিন খানসহ স্থানীয় যুবলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান খাজা ও যুবলীগ কর্মি দুলালকে গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় হিন্দুরা দাবি করেন, আসামীরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না।  কারণ, আসামীরা প্রায় সকলেই আওয়ামীলীগ সরকারের তৎকালীণ প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এবং সরকার দলীয় কর্মী।  এছাড়াও পাবনার সাঁথিয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রাম এলাকায় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের গ্রামে হামলা, বাড়িঘর- দোকানপাট ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়ার ঘটনার মূল হোতাদের আড়াল করা হচ্ছে।  পুলিশ জানে, এখানে কী হয়েছে, কারা করেছে।  কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে তাদের এখনো ধরা হয়নি।  আড়াল করা হচ্ছে।

এছাড়াও পাবনার সাঁথিয়ার ঘটনায় বাম রাজনৈতিক দল সিপিবি এবং বাসদ যৌথভাবে একটি অনুসন্ধান চালায় এবং সেই অনুসন্ধানে দেখা যায়, হামলার সাথে আওয়ামীলীগ সরকারের নেতা-কর্মীরা জড়িত।

২০১৬ সালের ২৯ শে অক্টোবর ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালানো হয়।  উক্ত ঘটনায় প্রায় অর্ধশত বসত বাড়িতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়।  উল্লেখ্য, দলীয় বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে বেকায়দায় ফেলতে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সাংসদ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সমর্থকরা এ হামলার নেপথ্যে ছিলো।

নাসিরনগরের এমপি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের সঙ্গে মোকতাদির ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের দ্বন্দ্বই এ হামলার কারণ হিসেবে অনুসন্ধান রিপোর্টে উঠে এসেছে।  উক্ত অনুসন্ধানে নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আতিকুর রহমান আঁখিকে হামলার মূল হোতা হিসেবে চিন্হিত করা হয়।

২০১৭ সালের নভেম্বরে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালানো হয়।  উক্ত ঘটনায় প্রায় ২০ টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

২০১৬ সালের নভেম্বরে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল পল্লীতে হামলার ঘটনা ঘটে।  এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাবিশ্বেই নিন্দার ঝড় ওঠে।  গাইবান্ধার ঐ এলাকার আওয়ামীলীগের সাংসদ আবুল কালাম আজাদ ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আলম বুলবুলের নেতৃত্বে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাঁওতালদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিলো বলে দাবি স্থানীয় এলাকাবাসীর।  সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, এই বুলবুলই একসময় ভূমি উদ্ধার কমিটির সভাপতি ছিলেন।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, উপরে উল্লেখিত ঘটনাগুলোর একটি ঘটনারও বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়নি।  কোনো এক অজানা কারণে, পুলিশ বাহিনী তাদের তথ্যনুসন্ধান এখনো সমাপ্ত করে বিজ্ঞ আদালতে জমা দিচ্ছে না।  যার দরুণ বিচার প্রক্রিয়া ব্যহত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর তথ্যানুসারে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকেই আওয়ামীলীগ নেতা ও চেয়ারম্যান বুলবুলের ভাষ্য পাল্টাতে থাকে।  তিনি হয়ে ওঠেন এলাকার ত্রাস।  বুলবুল বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের এমপি’র ডান হাত হিসেবে পরিচিত।  যার নিয়ন্ত্রনে এম, পি’র ব্যক্তিগত অস্ত্র ভান্ডার রয়েছে।  সাহেবগঞ্জ সাঁওতাল পল্লীতে চালানোর আগে মাইকে ঘোষণা দিয়ে পল্লীর সবকটি বাড়িতে লুটপাট ও কাউকে ছাড় না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো এই বুলবুল। উল্লেখ্য, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পুলিশের সহায়তায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও চেয়ারম্যান বুলবুলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একদল সন্ত্রাসী আদিবাসি পল্লীতে হামলা চালায়।

এ ঘটনায় বর্তমান সাংসদ এবং স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সম্পৃক্ত থাকার স্পষ্ট প্রমাণ থাকা স্বত্ত্বেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না।

সংখ্যালঘুদের উপর হামলা কেন?

সংখ্যালঘুদের উপর চালানো হামলা ও নির্যাতনের ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, মূলত দুটি কারণে এই হামলা গুলো চালানো হয়।

প্রথমত সংখ্যালঘুদের বসতবাড়ি ও সম্পত্তি দখল করা। সরকার দলীয় এমপি ও মন্ত্রীরা নিজেদের প্রশাসনিক প্রভাব ও রাজনৈতিক জনশক্তিদের ব্যবহার করে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালিয়ে তাদের ওপর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত ভীতি তৈরী করে।  যাতে করে তারা বিকল্প চিন্তা করতে বাধ্য হয়।  আর সংখ্যালঘুদের জন্য বিকল্প চিন্তার অর্থ দেশ ত্যাগ করে প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতে চলে যাওয়া।

সংখ্যালঘুরা যখন দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়, তখন স্বাভাবিক কারণেই তারা নিজেদের সমস্ত সম্পত্তির এটা সুরাহা করতে চায়।  মানে, সহায়-সম্পত্তি এবং বসতবাড়ি বিক্রি করে তবেই দেশত্যাগ করতে চায়।  ঠিক তখনই তাদের কাছ থেকে নামমাত্র মূত্রে সেই সম্পত্তিগুলো ক্রয় করে, সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতারা।

দ্বিতীয়ত, সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা করার জন্য। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু বিষয়টি সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ।  যার কারণে, তাদের ওপর ভর করে প্রায়শই রাজনৈতিক দলগুলো সুবিধা আদায় করতে চায়।  এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সুবিধা আদায় করে সরকার পক্ষ।  সংখ্যালঘু হামলার ঘটনাকে পুঁজি করে মিডিয়া এবং প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে সরকার বিরোধী পক্ষকে সবসময়ই দারুণ চাপে রাখতে পারে। যা গত দশ বছরে আওয়ামীলীগের শাসন আমলে খুব ভালোভাবেই প্রত্যক্ষ করা গেছে।

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলেছে আওয়ামীলীগ।  আবার এই আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই উল্লেখ্যযোগ্য হারে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর রিপোর্টে উঠে এসেছে।

সংখ্যালঘু নির্যাতন

সংখ্যালঘু নির্যাতন

No Content Available

সংখ্যালঘু নির্যাতন

অভয়নগরে আক্রান্ত মালোপাড়ার একটি পরিবার
ঝিনাইদহে নিহত পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীর স্ত্রী শেফালী গাঙ্গুলীর আহাজারি
নাসিরনগরে হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ একটি বাড়ি
ফেসবুক পোস্টের জেরে জ্বলছে বাড়ি, সামনে বৃদ্ধার আহাজারি। ১০ নভেম্বর, হরকলি ঠাকুরপাড়া, রংপুর।
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার তিনটিলা গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক চন্দ্রসুরত চাকমার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়
রামুর বৌদ্ধপল্লিতে হামলা

সংখ্যালঘু নির্যাতন

সংখ্যালঘু নির্যাতন – আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক হাতিয়ার

 

সংখ্যালঘু নির্যাতনের আড়ালে

সংখ্যালঘু নির্যাতন

সংখ্যালঘু নির্যাতন